Posts

Showing posts from September, 2020
স্টুডেন্ট এর সুন্নাতে খৎনা(মুসলমানি) হবে। আন্টি দাওয়াত দিলো। গিয়ে দেখি ছাত্র ভয়ে কাঁপতেছে। আন্টি আমাকে বললেন, ওকে একটু বুঝাও।  আমি ওর পাশে গিয়ে বললাম, - সিফাত; ভাই আমার, ভয়ের কিছু নেই এটা কাটতেই হয়। ব্যাথা পাওয়া যায়না।  - স্যার, আমার নুন্টু কাটলে আমি হিসু করবো কী দিয়ে? - আরে বোকা! নুন্টু কাটবেনা। সামান্য একটু চামড়া কেটে ফেলবে উপর থেকে।  -  আপনার কাটছে? - হ্যাঁ আমারো কাটছে।  - কই দেখান তো? কতটুকু কাটছে আমি দেখবো।  আন্টি সামনে বসে আছে। ডাক্তার সাহেবও বসে আছেন। আমি এক মুহুর্তের মধ্যে 'থ' হয়ে গিয়েছি।  এটা কী করে সম্ভব!  - চুপ করো। এটা দেখানো যাবেনা। আমি বড় হয়েছি। এটা লজ্জার ব্যাপার।  - তাহলে আমি কাটবোনা। আম্মু, আমি নুন্টু  কাটবোনা। ডাক্তার আংকেল আপনি চলে যান। অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়েও ওকে রাজি করানো যায়নি। আন্টি আমাকে বললেন, বাবা তুমিও তো ছেলে মানুষ আমার ছেলেটাও ছেলে মানুষ। ওকে একবার দেখাও। দেখলেই ও বুঝতে পারবে।  আন্টির কথা শুনে আমার আকাশ থেকে ভেঙে পড়ার মত অবস্থা হলো।  - কি যে বলেন আন্টি। এটা কীভাবে সম্ভব।  এটা তো লজ্জার ব্যাপার। আম...
  নর্মালি যেকোনো মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেই আমার অনেক খারাপ লাগে। খালি মনে হয়, অন্য একটা পুরুষ মেয়েটাকে পেয়ে যাবে। স্পর্শ করবে নিজের ইচ্ছামত। ফেসবুকে আমার নিউজফিডে কোনো ম্যারিড স্ট্যাটাস আসলেই সেদিন রাতে আমার ঘুম হয় না। বিছানায় এপাশ ওপাশ গড়াগড়ি করি। বারবার মনে হয়, আজ রাত টা আমার বাসর রাত হতে পারত। মেয়েটাকে আমি পেতে পারতাম। মেয়েটার সাথে হয়তো জীবনে কোনোদিন কথা হয়নি, তাতে কি? মেয়েটার বাসা হয়তো বাংলাদেশেও না, তাতে কি? হয়তো মেয়েটা বয়সে আমার বড়, তাতেই বা কি! আমার মন এগুলো কিছু শুনতে চায় না৷ সে শুধু কষ্ট পেতে চায়। . আমাদের পাশের বাসার সামিয়ার যেদিন বিয়ে হলো সেদিন আমি সারারাত কান্না করেছি। অথচ সামিয়াকে আমি আপু ডাকতাম। বিয়েতে বরের জুতা চুরি থেকে শুরু করে গেট ধরা, সব আমিই করেছি। অথচ রাতের বেলা মনটা ভেঙে গেল হুট করে। বারবার মনে হতে লাগলো সামিয়াকে অন্য কোনো পুরুষ স্পর্শ করবে। কি কষ্ট, কি কষ্ট! আমি চিৎকার দিয়ে কান্না শুরু করলাম। আম্মু আসলে বললাম, পেটে ব্যাথা। আমাকে দুইটা ঔষধ খাইয়ে দিলো। সেই ঔষধ খেয়ে সকালে পেটে তীব্র ব্যাথা শুরু হলো। হাসপাতালে ভর্তি করা লাগলো। হাতে স্যালাইনের সুচ নিয়ে শুয়ে শুয়ে আবারো ...