Posts

স্টুডেন্ট এর সুন্নাতে খৎনা(মুসলমানি) হবে। আন্টি দাওয়াত দিলো। গিয়ে দেখি ছাত্র ভয়ে কাঁপতেছে। আন্টি আমাকে বললেন, ওকে একটু বুঝাও।  আমি ওর পাশে গিয়ে বললাম, - সিফাত; ভাই আমার, ভয়ের কিছু নেই এটা কাটতেই হয়। ব্যাথা পাওয়া যায়না।  - স্যার, আমার নুন্টু কাটলে আমি হিসু করবো কী দিয়ে? - আরে বোকা! নুন্টু কাটবেনা। সামান্য একটু চামড়া কেটে ফেলবে উপর থেকে।  -  আপনার কাটছে? - হ্যাঁ আমারো কাটছে।  - কই দেখান তো? কতটুকু কাটছে আমি দেখবো।  আন্টি সামনে বসে আছে। ডাক্তার সাহেবও বসে আছেন। আমি এক মুহুর্তের মধ্যে 'থ' হয়ে গিয়েছি।  এটা কী করে সম্ভব!  - চুপ করো। এটা দেখানো যাবেনা। আমি বড় হয়েছি। এটা লজ্জার ব্যাপার।  - তাহলে আমি কাটবোনা। আম্মু, আমি নুন্টু  কাটবোনা। ডাক্তার আংকেল আপনি চলে যান। অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়েও ওকে রাজি করানো যায়নি। আন্টি আমাকে বললেন, বাবা তুমিও তো ছেলে মানুষ আমার ছেলেটাও ছেলে মানুষ। ওকে একবার দেখাও। দেখলেই ও বুঝতে পারবে।  আন্টির কথা শুনে আমার আকাশ থেকে ভেঙে পড়ার মত অবস্থা হলো।  - কি যে বলেন আন্টি। এটা কীভাবে সম্ভব।  এটা তো লজ্জার ব্যাপার। আম...
  নর্মালি যেকোনো মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেই আমার অনেক খারাপ লাগে। খালি মনে হয়, অন্য একটা পুরুষ মেয়েটাকে পেয়ে যাবে। স্পর্শ করবে নিজের ইচ্ছামত। ফেসবুকে আমার নিউজফিডে কোনো ম্যারিড স্ট্যাটাস আসলেই সেদিন রাতে আমার ঘুম হয় না। বিছানায় এপাশ ওপাশ গড়াগড়ি করি। বারবার মনে হয়, আজ রাত টা আমার বাসর রাত হতে পারত। মেয়েটাকে আমি পেতে পারতাম। মেয়েটার সাথে হয়তো জীবনে কোনোদিন কথা হয়নি, তাতে কি? মেয়েটার বাসা হয়তো বাংলাদেশেও না, তাতে কি? হয়তো মেয়েটা বয়সে আমার বড়, তাতেই বা কি! আমার মন এগুলো কিছু শুনতে চায় না৷ সে শুধু কষ্ট পেতে চায়। . আমাদের পাশের বাসার সামিয়ার যেদিন বিয়ে হলো সেদিন আমি সারারাত কান্না করেছি। অথচ সামিয়াকে আমি আপু ডাকতাম। বিয়েতে বরের জুতা চুরি থেকে শুরু করে গেট ধরা, সব আমিই করেছি। অথচ রাতের বেলা মনটা ভেঙে গেল হুট করে। বারবার মনে হতে লাগলো সামিয়াকে অন্য কোনো পুরুষ স্পর্শ করবে। কি কষ্ট, কি কষ্ট! আমি চিৎকার দিয়ে কান্না শুরু করলাম। আম্মু আসলে বললাম, পেটে ব্যাথা। আমাকে দুইটা ঔষধ খাইয়ে দিলো। সেই ঔষধ খেয়ে সকালে পেটে তীব্র ব্যাথা শুরু হলো। হাসপাতালে ভর্তি করা লাগলো। হাতে স্যালাইনের সুচ নিয়ে শুয়ে শুয়ে আবারো ...
আমি তখন সবেমাত্র অনার্স ভর্তি হয়েছি। ফার্স্ট ইয়ার। হাতখরচ চালানোর জন্য টিউশনি শুরু করলাম। ক্লাস টেনের একটা মেয়েকে ইংরেজি  পড়াতাম। বড়লোকের মেয়ে। ওর বাবার দশটা মত ট্রাক আছে। বাজারে রড সিমেন্টের দুইটা দোকান। টাইলসের দোকান একটা। মেয়ে তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। আমি শুরুতে ভাবতাম একটা মেয়ে কেন? দশ টাকার চিপসের মধ্যের স্ক্রাচ কার্ডেও লেখা থাকে, আবার চেষ্টা করুন। আর এই দম্পতি এক বাচ্চা নিয়েই সন্তষ্ট? আরেকবার চেষ্টা করে দেখলো না? এতো টাকাপয়সা খাবে কে। আঙ্কেলের বিশাল ধৈর্য আছে মাশাল্লাহ। আন্টিকে দেখলে আমারই মাথা ঠিক থাকে না। যেরকম সুন্দরী, সেইরকম ফিগার। আমি এই মহিলার বর হলে আমার ছেলেমেয়েরা বাসার ছাদেই দুই দলে ভাগ হয়ে ফুটবল খেলতে পারতো। বাইরে থেকে কোনো ফ্রেন্ড ডেকে আনার দরকার পড়তো না। :3 . যাই হোক, আমাদের আজকের কাহিনী ঐ মহিলাকে নিয়ে না৷ উনার একমাত্র মেয়ে অর্থ্যাৎ আমার ছাত্রীকে নিয়ে৷ মেয়ের নাম অরনী। মায়ের থেকেও তিনগুন বেশি সুন্দরী। কতটা সুন্দরী উদাহরণ দেই৷ টিউশন মাস্টাররা লুচ্চা হলে নাকি ছাত্রীর বুকের দিকে তাকায়। কিন্তু আমি যথেষ্ট লুচ্চা হয়েও কখনো অরনীর বুকের দিকে তাকাইনি। ওর চেহারা এতো ...
বিয়ের সপ্তাহখানেক বাদেই আনিস বুঝতে পারলো তার বউ বিথী ঠিক নর্মাল না। অবশ্য এটা সে ধারণা করেছিলো বিয়ের পরদিনই। ভালোবাসাবাসির আগে বিথী যখন বললো কনডম ইউজ করার দরকার নাই কোনো, আনিস অবাক হয়েছিলো।  - তোমার কি সেফ পিরিয়ড চলতেছে? - না। - তাহলে? পিল খাবা? পিল খাওয়া ক্ষতিকর স্বাস্থ্যের জন্য। - পিলও খাবো না। - তাহলে? প্রটেকশন না ইউজ করলে কনসিভ করে ফেলবা তো। এতো তাড়াতাড়ি বাচ্চা নেয়া ঠিক হবে না। বিথী কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বলেছিলো, 'আমি বলতেছি তো, কোনো সমস্যা হবে না। এতো দ্রুত বাচ্চা আমিও নিবো না। তুমি কনডম রেখে দাও৷ আর কখনো এটা কিনে তোমার টাকা নষ্ট করা লাগবে না।' . তখন বিস্তারিত আলোচনা করার মত ধৈর্য বা পরিস্থিতি না থাকায় আনিস আর কথা বাড়ালো না। তবে খটকা একটা থাকলোই। . ছয় সাতদিন পর একদিন সন্ধ্যা থেকে প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হলো। বাসায় বাজার ছিলো না কোনো। আনিস বিথীকে বললো খিচুড়ি রান্না করো। সাথে ডিম ভাজি। দোতলার ভাবীর বাসা থেকে ডাল আর ডিম ধার করে আনো। বিথী জানালো, ঘরে ডিম আছে। শুধু ডাউল আনলেই হবে।  . ডিম খিচুড়ি পেট ভরে খাওয়ার পর বৃষ্টিভেজা রোমান্টিক রাতে আনিসের ইচ্ছা হলো প্রেম করার। কার...
লাইফে প্রথমবারের মতো 'ইন আ রিলেশনশিপ' স্ট্যাটাস দিয়ে ছেলেটা খুশিতে দুই রাকআত শুকরিয়া নামাজ পড়ে ফেললো। যাক, শেষপর্যন্ত ভাগ্যের শিকে ছিড়েছে। এখন আর সবার মতই ওরও একটা সুইট, কিউট, স্মার্ট আর সুন্দরী গার্লফ্রেন্ড আছে। যাকে মনের সব আবেগ নিয়ে বলা যায় ভালোবাসার সমস্ত কথা। সে মেয়েটাকে ফোন দিলো,  "হ্যালো বাবু কি করো?" "এইতো জান শুয়ে আছি, তুমি?" "আমিও। একটা কাজ করতে পারবা?" "কি কাজ বলো।" "কাল ভোর সাতটায় আমার খুব ইম্পর্টেন্ট একটা ক্লাস আছে, তুমি ফোন দিয়ে ঘুম থেকে তুলে দিতে পারবা?" "অবশ্যই পারবো। তুমি নিশ্চিন্তে ঘুমাও।" "ওকে বাবু, লাভ ইউ। উমমমাহ।" "লাভ ইউ টু। উমমমাহ।" . আহা! জীবনটা এতো সুখের কেন! ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলো ছেলেটা। চোখে খুব সুন্দর একটা ভবিষ্যতের স্বপ্ন। যে ভবিষ্যৎ ভালোবাসা আর আনন্দে পরিপূর্ণ। . পরদিন সকাল এগারোটায় ঘুম ভাঙলো ছেলেটার। ফোনটা হাতে নিয়ে চেক করলো। নাহ কোনো মিসকল উঠে নেই। মেজাজ খারাপ হলো খুব। ফেবুতে লগইন করে একটা মেসেজ পেলো। মেয়েটা লিখেছে, "স্যরি বাবু আমি বলতে ভুলে গেছিলাম...
মহুয়ার বাবা ইলিয়াস চৌধুরী প্রচণ্ড রাগী মানুষ। এককালে জমিদার ছিলেন, এখন জমিদারি না থাকলেও সেই রাগ আর ব্যক্তিত্ব ধরে রেখেছেন। তার ভয়ে পুরো মহল্লা কাপে থর থর করে। সুতরাং বহু ইচ্ছা থাকা সত্বেও ইন্টার পড়ুয়া মহুয়াকে থাকতে হচ্ছে সিঙ্গেল। এই বয়সটা প্রেম করার জন্য একদম পারফেক্ট। সিনেমা আর সিরিয়াল দেখে দেখে রাতদিন কল্পনায় লাল নিল স্বপ্ন ভাসে মহুয়ার চোখে। কিন্তু ঐ যে রাগী বাবা। এলাকার কোনো ছেলে কখনো সাহস পায় না মহুয়াকে প্রপোজ করার। প্রপোজ তো বহু দূরে, ওর দিকে তাকাতেই সবাই ভয় পায়। ভয় পায় মহুয়া নিজেও। বাবা কোনোভাবে খবর পেলে ওকে টুকরো টুকরো করে আফ্রিকান মাগুর দিয়ে খাইয়ে দেবে। নিজের সম্মানের চাইতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইলিয়াস চৌধুরীর কাছে নাই। . তবে শেষপর্যন্ত কষ্ট দূর হলো মহুয়ার। ইন্টার পরীক্ষার পর কিভাবে কিভাবে যেন ও চাঞ্চ পেয়ে গেলো স্বপ্নের ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে। আর কে পায়! রোকেয়া হলে স্বাধীন জীবনের শুরু। যেখানে নেই বাবার শাষন বা ভয়। এইবার পূরণ হবে স্বপ্ন। শুধু এখন কারো প্রপোজের অপেক্ষা, যাকে শুধুমাত্র ছেলে হলেই হবে, আর কিচ্ছু লাগবে না। তাছাড়া সুন্দরী মহুয়া কম না। জমিদার বংশের মেয়ে বলে কথা। . ক্যাম্...
শাকিলের গার্লফ্রেন্ড নাবিলা মেসেজ দিয়েছে, 'আই লাভ ইউ।' কিন্তু সমস্যা সেটা না। সমস্যা হলো মেসেজ সে শাকিলকে না, দিছে আমাকে। আর শাকিল আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। সেই স্কুল লাইফ থেকে আমাদের বন্ধুত্ব। শাকিল কখনো আমাকে না দিয়ে একটাকার একটা চকলেটও খায়নি। ভুল বললাম। নাবিলাকে সে খাচ্ছে আমাকে ছাড়াই। কখনো অফার করেনাই যে ঠিকাছে নে, তুই অর্ধেক আমি অর্ধেক। অথচ নাবিলা চকলেট বার্গার পিজা কোক সহ দুনিয়ার সবধরনের ফার্স্টফুড থেকে বেশি সুস্বাদু। চিকেন ফ্রাই থেকে বেশি স্পাইসি, কফি থেকে বেশি হট। এতো বেশি হট যে রাতে গ্যাস ফুরাই গেলে আমরা ওর ছবি দেখায়ে গরম করে খেয়ে ফেলি। খাবার না, নিজেকে গরম করি। তারপর ঠান্ডা খাবার খাইতে খুব বেশি খারাপ লাগে না। তো সেই নাবিলা আমাকে আই লাভ ইউ বলেছে। আমি জাস্ট নিজের কান চোখ মুখ নাক হাত পা সহ শরীরের কোনো জায়গাকেই জিনিসটা বিশ্বাস করাতে পারতেছি না। ভুল বললাম, শরীরের বিশেষ একটা জায়গা ঠিকই বিশ্বাস করেছে, কিন্তু ভদ্রসমাজে তার বিশ্বাসের কোনো দাম নেই। . যাই হোক, এখন আমার সামনে অপশন দুইটা। প্রথমজন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড শাকিল। দ্বিতীয়জন খুব বেশি সুন্দরি একটা মেয়ে নাবিলা, যে আমাকে প্রপোজ কর...